Wednesday, 21 February 2018

`বিশ্বজুড়ে বাংলা, ভাষার বিকৃতি প্রতিরোধে সোচ্চার তরুণ সমাজ আমরা'


বরিশাল কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে চারুকলার দেয়ালচিত্রে ফুটে উঠেছে তরুণ সমাজের সোস্যাল মিডিয়ায় ভাষা বিকৃতি 

 সোহানুর রহমান : ‘বাহান্নতে মুখের ভাষা কিনছি বুকের খুনে রে/ বরকতেরা রক্ত দিছে বিশ্ব অবাক শুনে রে,/ দিছি রক্ত জন্মাবধি সাগর-সাগর নদী-নদী/ রক্তে বাংলা লাল কইরাছি  এই কথা তো মিথ্যা নয়।/  দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা কারো দানে পাওয়া নয়/ দাম দিছি প্রাণ লক্ষকোটি জানা আছে জগৎময়।’’- গীতিকার ও সুরকার আবদুল লতিফের এই গানটিই বলে দেয় কতটা গর্বের ধন আ’মরি বাংলা ভাষা। 

গোটা ধরীত্রির বহু ভাষাভাষীর মধ্যে শুধুমাত্র আমাদের বাঙলিরাই বুকের তাজা রক্ত দিয়ে মায়ের ভাষায়  মুখের কথা বলার অধিকার আদায় করে গড়েছে সোনালী ইতিহাস। শেকল ভাঙা টগবগে বাংলা মায়ের দামাল ছেলের দল ১৩৫৯ বঙ্গাব্দের ৮ই ফাল্গুন অর্থাৎ ১৯৫২’র একুশে ফেব্রুয়ারি সকালে সকল বাধা-বিপত্তি আর ভয়কে জয় করে রাজপথে নেমেছিল বলেই আজ আমরা গর্বের সাথে বলতে পারি, ‘আমি বাংলাভাষী, বাংলা আমার মাতৃভাষা।’ 
Image may contain: 6 people, people smiling

 ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে যে সংগ্রাম গোড়া পত্তন হয়েছিল তা  শিক্ষা আন্দোলন, ৬ দফার স্বাধীকার আন্দোলণ হয়ে রুপ নেয় স্বাধীনতাযুদ্ধে। শেষাবধি ১৯৭১-এ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের পর নতুন দেশ গঠনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ নামে নতুন এক মানচিত্র। আমরা স্বাধীনতাযুদ্ধে বিজয় লাভ করে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের নাগরিক হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করি।

 ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনোস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ায় ভৌগোলিক সীমারেখা অতিক্রম করে পৃথিবীর সব জাতি-গোষ্ঠীর মধ্যে দিয়ে মাতৃভাষা বাংলার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগের মহিমা ছড়িয়ে পড়েছে।

 সাত’শ কোটির অধিক মানুষের হাজারো ভাষার মধ্যে বাংলা  আজ অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষা। যে ভাষায় বাংলাদেশ, ভারত, পশ্চিমবঙ্গ, আসামসহ কিছু এলাকায় বাংলাভাষী সহ পৃথিবীর প্রায় ২৫  কোটি মানুষ এ ভাষায় কথা বলে মনের ভাব প্রকাশ করে। বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আরও বেশ সংখ্যক প্রবাসী বাংলাভাষীতো রয়েছেনই। 

তবে সুখের বিষয় হচ্ছে, বর্তমানে বাংলাদেশ ছাড়াও আফ্রিকার একটি দেশ সিওরিলিওনে রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে স্বীকৃত আ’মরি বাংলাভাষা। 

হানাদার পাকিস্তানিরা নানা কৌশলে সংখ্যাগরিষ্ঠ উর্দু চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল, আমরা রক্ত দিয়ে তা প্রতিহত করেছি। সে কথা যেমনি সত্য, তবে  সমৃদ্ধ ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে যে রক্তেজেতা বর্ণমালা পেয়েছিলাম তার দুরাবস্থা এখন আমাদের সবার বিস্ময়ের কারণ।
No automatic alt text available.

 ভাষা হিসেবে বাংলারতো একটা প্রকৃত রূপ বা মান রয়েছে। সেই মান সাহিত্যের ভাষা, শিষ্টাচারের ভাষা, ভদ্র কথপোকথনের ভাষা, লেখাপড়ার ভাষা। আমরা ভুলে যেতে  বসেছি যে শুদ্ধ ও পরিশীলিত ভাষা চর্চা করা আবশ্যক। যে যেভাবে পারছে বাংলাভাষার বারটা বাজাচ্ছে।  

মোটকথা হচ্ছে, এতো দিনেও আমরা দেশের সর্বত্র বিশুদ্ধ ভাষা চর্চার কোনো কাঠামো গড়ে তুলতে পারিনি। এবারকার প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার ফল পর্যালোচনা করে দেখা গেছে শিশুরা বাংলার চেয়ে ইংরেজীতে ভালো করছে। বিষয়টি আসলেই উদ্বেগের। তবে বাস্তবতা ভিন্ন।  

বাংলা মাধ্যমে পড়াশোনা করবেন, দাম নেই। বাংলায় স্নাতকোত্তর  করবেন, ভালো চাকুরী নেই। উচ্চ আদালতে বিচার চাইলেও এর রায়টা পর্যন্ত বাংলায় পাবেন না। ইংরেজী থেকে অনুবাদ করে বুঝে নিতে হবে। 

আর বাংলায় কথা বলবেন কিংবা ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলেনতো আপনার নিজেরই সব ‘ইস্মাটনেস’ আর ‘সোস্যাল স্ট্যাটাস’ চুলোয় যাবে। এমন এক করুন পরিস্থিতে তরুণদের কাছে টানতে এক জগাখিচুরি বাংলার আশ্রয় নিচ্ছে গণমাধ্যম বিশেষ করে এফ রেডিও জকিরা।  
Image may contain: one or more people
প্রতীকী ছবি 
উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনকারী বা দেশসেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করা তরুণ সমাজ আজকাল আনাড়ি ফেসবুক ব্যবহারকারী বা মূর্খ-অর্ধ শিক্ষিতদের ব্যঙ্গ করতে গিয়ে এখন তারা নিজেরাই উপহাসের পাত্রে পরিণত হতে চলেছে। 

তারা বেশ আনন্দ চিত্তে মজা করেই লিখে থাকে ফডু, খিচ্চা, মঞ্চায়, গিবনে, হপে, খিচাইছে এমন সব উদ্ভট শব্দ স্ট্যাটাস-কমেন্টে থাকে প্রায় নিয়মিত, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ধরেই নেবে এটাও ভাষা বাংলা। এই বাংলিশ ভাষারীতির সাথে গড়ে উঠেছে এক মনগড়া বিকৃত বাংলাভাষার কালচার। যাতে গা ভাসিয়ে দিচ্ছে আমাদের তরুণ প্রজন্ম। 

এর সঙ্গে আকাশ সংস্কৃতির প্রভাবে হিন্দির আগ্রাসন খানিকটাতো আছেই। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রদর্শিত শতকরা ৮০ ভাগ চ্যানেলে হিন্দিতে অনুষ্ঠান হচ্ছে। আমাদের শিশুরা বুদ হয়ে রয়েছে হিন্দি কার্টুন আর ময়েরা সিরিয়ালে। যার ফলে পরিবারের ছেলে-বুড়ো সবাই মনের অজান্তে হিন্দিতে দক্ষ হয়ে উঠছে। প্রায়শই কথা বলছে হিন্দিতে। 

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের জন্য যারা শহীদ হয়েছেন তারা নিশ্চয়ই এরকম জঘন্যভাবে ভাষার বিকৃতি ঘটুক বা বাংলা অবমূল্যায়িত হোক তা চাননি। 

ভাষা আন্দোলন নিয়ে রয়েছে তারুণ্যের বহুমাত্রিক উদ্যোগ বিশ্বের হাতেগোনা যে কয়টি অনুষঙ্গের মাধ্যমে বাংলাদেশের পরিচিতি ছড়িয়ে পড়েছে তার মধ্যে একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস অন্যতম। 
Image may contain: 6 people, people smiling, people standing and outdoor
আগামী প্রজন্মকে এ গৌরবান্বিত ইতিহাস সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রদান, মাতৃভাষা চর্চা ও সম্মান অক্ষুন্ন রাখতে এখনই কাজ করতে হবে। বাংলা ভাষার ইতিহাস আমাদের ভুলে গেলে চলবে না। 

আমরা যেখানে যে মাধ্যমেই লিখি বা বলি না কেন, অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে ভাষার যেন বিকৃতি না ঘটে।  উচ্চ আদালত থেকে বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা গণমাধ্যম সর্বস্তরে নিশ্চিত করতে হবে বাংলা ভাষার প্রচলণ। 

এছাড়া আঞ্চলিক ভাষার বিকাশ ও সংরক্ষণসহ ক্ষুদ্রজাতিসত্বার মাতৃভাষাকেও দিতে হবে সমান গুরুত্ব। আদিবাসী সন্তানেরা যদি তাদের মাতৃভাষায় পড়াশুনা এবং চাকুরী গ্রহণে সক্ষম হয় তবেই স্বার্থক হবে ৮’ই ফাল্গুনে ভাষা শহীদের আত্মত্যাগ। 

পরিশোধ করতে পারব তাদের রক্তের ঋণ। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় বাংলায় যে বিশ্বসভার দাপ্তরিক ভাষার মর্যাদা পাবে সেদিন আর বেশি দূরে নয়।
* লেখকঃ  নির্বাহী প্রধান, প্রতীকি যুব সংসদ, বাংলাদেশ

Wednesday, 14 February 2018

ভোলায় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু অভিযোজন বিষয়ক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন


জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের হাত থেকে উপকূলীয় জেলা ভোলাকে রক্ষার জন্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দুযোর্গের ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে অভিযোজন বিষয়ক ২ দিন ব্যাপী  প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন হয়েছে। 
জাতিসংঘ শিশু তহবিল ইউনিসেফে’র সহযোগিতায় গতকাল মঙ্গলবার ভোলা জেলা প্রশাসন ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ (সিথ্রিইআর)‘র যৌথ আয়োজনে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে এই প্রশিক্ষনের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। ।
Image may contain: 4 people, people sitting and indoor
স্থানীয় চিলড্রেন কাউন্সিল, কিশোর-কিশোরী ক্লাব সদস্য ও যুব রেড ক্রিসেন্ট এর ২৫ জন ইয়ুথ সদস্য অংশগ্রহণ করেন।।
কর্মশালার সমাপনী দিনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মাহমুদুর রহমান।
Image may contain: 6 people, including Arabinda Sarkar, people sitting, table and indoor
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন-ইউনিসেফ এর প্রোগ্রাম অফিসার আ: জলিল,ইউনিসেফ এর প্লানিং এন্ড মনিটরিং অফিসার আল মুমিন মো: গোলাম সারওয়ার, প্রশিক্ষক ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির লেকচারার শারমিন নাহার নিপা, এলসিবিসি অফিসার মো: আবদুস সালাম, ব্রাক ইউনিভার্সিটির ফিন্যান্সিয়াল এন্যালিস্ট বিশ্বজিৎ বাড়ৈ, ইয়ূথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিসের সমন্বয়কারী সোহানুর রহমান, ভোলা জেলা যুব রেড ক্রিসেন্ট এর যুব প্রধান আদিল হোসেন তপু প্রমুখ।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে ধারণা  দেওয়ার পাশাপাশি  ঘূর্ণিঝড় বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ে আলোকপাতসহ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, নারীও শিশুদের সমস্য নিরসন, অতি বৃষ্টির ফলে কি কি ধরনের সমস্য, অনাবৃষ্টি ও খরা সহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করা হয়।
Image may contain: 5 people
পরে প্রশিক্ষনার্থীদের নিয়ে এক বছর ব্যাপী কর্মপরিকল্পনা গ্রহন করা হয়।

Monday, 12 February 2018

`জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব থেকে শিশু ও নারীদের সুরক্ষা দিতে একযোগে কাজ করতে হবে’

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে প্রতিনিয়ত দক্ষিণাঞ্চলের সমুদ্রের উচ্চতা বাড়ছে। এর ফলে মিঠা পানির এলাকা গুলো লবনাক্ত হয়ে পড়ছে, কৃষক হারাচ্ছে তার কৃষি জমি । নদী ভাঙ্গনের সাথে সাথে দ্বীপজেলা ভোলার আয়তন দিন দিন ছোট হয়ে আসছে।
সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে জলবায়ু উদ্বাস্তু মানুষের সংখ্যাও। চরম হুমকির মুখে পড়ছে নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রা । তাই নারী ও শিশু সুরক্ষা নিশ্চিত করার তাগিদ দেন তারা।  এর জন্য সময়োপযোগী পদক্ষেপের উপর গুরুত্বারোপ করেছেন ভোলায় আয়োজিত এক কর্মশালার বক্তারা।
সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জলবায়ু পরিবর্তন ও অভিযোজন বিষয়ক অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে এ কর্মশালার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহা. সেলিম উদ্দিন ।
কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও জেলার বিভিন্ন উপজেলা বিশেষকরে মনপুরা দ্বীপ থেকে শিশু ও যুব প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় মতামত ব্যক্ত করেন ।
এ সময় জেলা প্রশাসক মোহা. সেলিম উদ্দিন জলবায়ু পরিবর্তনে বিরুপ প্রভাব মোকাবিলায় একাডেমিক জ্ঞানের সাথে স্থানীয় মানুষের জ্ঞান কাজে লাগিয়ে সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে সমন্নিত পথ নকশা তৈরি করার প্রতি গুরত্বারোপ করেন। জলবায়ু অভিযোজনে শিশু ও যুবদের ক্ষমতায়িত করতে হবে। তাদেরকে কল্পনার সুযোগ দিতে হবে বলেও জানান জেলা প্রশাসক। স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, স্যানিটেশনসহ অন্যান্য বিষয়গুলো কমিউনিটির লোকজনদের নিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার কৌশল নির্ধারনের উপর সবাইকে এগিয়ে আসতে আহবান জানান তিনি ।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় আলোচনায় অংশ নেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ফরিদ মিয়া, প্লানিং ও মনিটরিং অফিসার আল মুুমিন মো. গোলাম সরোয়ার, প্রোগ্রাম অফিসার আ: জলিল, ঘূর্নিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচী (সিপিপি) উপ-পরিচালক মো. শাহাবুদ্দিন, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক মাহামুদুল হক আজাদ, কোস্ট ট্রাস্ট টিম লিডার রাশিদা বেগম, আইইসিএম প্রকল্পের সম্মনয়কারী মো. মিজানুর রহমান, প্রথম আলো জেলা প্রতিনিধি নেয়ামত উল্ল্যাহ, ইয়ূথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিসের সমন্নয়ক সোহানুর রহমান, যুবরেড ক্রিসেন্টের যুব প্রধান আদিল হোসেন তপু প্রমূখ।
এলসিবিসি অফিসার মো. আবদুস সালামের সঞ্চালনায় বক্তারা বলেন, ভোলা একটি ঘুর্ণিঝড় ও নদীভাঙন প্রবণ দ্বীপাঞ্চল। ঝড় ঝঞ্চার সাথে সংগ্রাম করে বেড়ে ওঠে এখানকার লড়াকু মানুষ। জীবন সংগ্রামের কারনেই তারা পরিবর্তিত পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ শিশু ও নারীরা। এক্ষেত্রে অর্থিক সংকটের কারনে জীবনযাত্রায় বিরুপ প্রভাব পরায় সামাজিক নিরাপত্তাও বিঘিœত হয়।
তবে যথাযথ সহায়তা পেলে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রভাব মোকাবিলায় উপকূলীয় জেলা ভোলার মানুষ মানিয়ে নিতে পারবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রভাব ব্যাপকভাবে আলোচিত হলেও উপকূলীয় অঞ্চলে এ সম্পর্কে খুব কম সংখ্যক মানুষই সচেতন।
তাই এখনই জোরদার কার্যক্রম গ্রহন করা দরকার বলে তারা উল্লেখ করেন।

Thursday, 16 November 2017

A decade of Cyclone SIDR observed in Barisal with Heavy heart


Bangladesh Model Youth Parliament and YouthNet for Climate Justce have observed one decade of super cyclone SIDR with Barisal Reporters Unity marked the memory of horrific incidence with the heavy heart. A discussion meeting was presided over by Barisal Reporters Unity president Nazrul Biswas while among others AH Towfique Ahmed, Zonal Head, UNICEF Barisal Field Office, Sohanur Rahman, Coordinator, YouthNet for Climate Justice, Journalist Susanta Gosh, Bappy Majumdar, Feroz Mostofa, Chairperson, Bangladesh Model Youth Parliament spoke the meeting.

On 15 November 2007, Cyclone Sidr struck the south-west coast of Bangladesh with winds up to 240 kilometers per hour. The category 4 storm was accompanied by tidal waves up to five meters high and surges up to 6 meters in some areas, breaching coastal and river embankments, flooding low-lying areas and causing extensive physical destruction. High winds and floods also caused damage to housing, roads, bridges, and other infrastructure. Electricity and communication were knocked out, and roads and waterways became impassable. Drinking water was contaminated by debris and many sources were inundated with saline water from tidal surges, and sanitation infrastructure was destroyed.
The cyclone was the second natural disaster to affect Bangladesh in twelve months. Monsoon floods had previously caused extensive agricultural production losses and destruction of physical assets, totaling near US$ 1.1 billion. The occurrence of these events in close succession is a reminder of the country's extreme vulnerability to frequent hydro-meteorological hazards, which stand to be further exacerbated because of climate change.

Monday, 13 November 2017

Coastal Day observed in Barisal calling for climate justice


The first Coastal Day was observed on Sunday in coastal districts including Barisal city calling for climate justice. 


Bangladesh Model Youth Parliament and YouthNet for Climate Justice jointly organized a human chain in front of Barisal Awshini Kumar Hall on this occasion for the first time aiming to protect country's coastal area and to develop the lifestyle of the people living there.

Sohanur Rahman, chief coordinator of YouthNet for Climate Justice, Akkas Hossain, district president of Citizens for Good Governance (SUJAN), Nazrul Islam Chunnu, Kajal Gosh, cultural activists, Sushanta Gosh, journalist, Khaleda Wahab, women leader, Ranjit Dutta development activist, Meher Afroj Mita, regional coordinator of The Hunger Project Bangladesh, Feroz Mostofa, Chairperson, Bangladesh Model Youth Parliament participated and addressed  the programme.

The day was observed at 34 places in 32 upazilas of 15 coastal districts with various programmes marking a cyclonic storm that ravaged the southern coasts of the then East Pakistan in 1970.

The disaster claimed hundreds of thousands of lives and countless cattle herds.

Responding to the call of Coastal Day Implementation Committee, about 100 organizations took part in different programmes.
 

Thursday, 2 November 2017

বরগুনায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মেকাবেলায় বরগুনায় যুব বিতর্ক উৎসব ও শোভাযাত্রা



জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব মোকাবেলায় বরগুনায় যুব বিতর্ক উৎসব পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকের্ যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমির সামনে শেষ হয়। শিল্পকলা মিলনায়তনে যুব বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন করেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুজ্জামান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. মোখলেছুর রহমান, বরগুনা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, সহকারী পুলিশ সুপার আ. ওয়ারেস, ইউনিসেফের বরিশাল বিভাগীয় প্রধান এএইচ তৌফিক আহম্মেদ, ইয়ূথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিসের সমন্নয়ক সোহানুর রহমান।
বরগুনায় যুব বিতর্ক উৎসব এর ছবি ফলাফল

যুব বিতর্ক প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন করেন, প্রধান অতিথি বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোঃ শহিদুজ্জামান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি আমতলী সদর সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার আঃ ওয়ারেস, বরগুনা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ, বরিশাল ইউনিসেফ’র প্রধান এ এইচ তৌফিক আহমেদ, জেলা মুকক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব আঃ রশিদ মিয়া,প্রেসক্লাব সভাপতি জাকির হোসেন মিরাজ প্রমূখ। বরগুনা ডিবেটিং ক্লাব ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের উপরে দুটি ভিডিও ডকুমেন্টরি উপস্থাপন করা হয়। 

এর পরপরই দুপুর দেড়টার দিকে যুব বিতর্ক প্রতিযোগিতা শুরু হয়। দুপুর সাড়ে ৩ টার দিকে সাংগঠনিক অধিবেশন ও সর্বশেষ বিকাল ৪ টায় বিজয়ীদের মাঝে ক্রেস্ট ও সনদ বিতরণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্ত ঘোষণা করেন, অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্যোক্তা ও যুব বিতর্ক উৎসবের আহ্বায়ক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ নুরুজ্জামান। যুব বিতর্ক প্রতিযোগিতায় “সোসিয়াল মিডিয়া ইজ হার্মফুল ফর ইস্টুডেন্টস” এই বিষয়ের উপরে স্কুল পর্যায়ে অংশগ্রহন করে বিপক্ষ দল বরগুনা সদর উপজেলা চ্যাম্পিয়ন হয় এবং আমতলী উপজেলা রানার আপ হয়।

স্কুল পর্যায়ে নির্ধারিত বিষয়ের উপরে শ্রেষ্ঠ বক্তা হিসেবে বরগুনা সদর উপজেলার জিলা স্কুলের ছাত্র অসিত জাওয়াদ ইসমাম নির্বাচিত হয়। “চাকরির চেয়ে ব্যবসা ভাল” এই বিষয়ের উপরে কলেজ পর্যায়ে অংশগ্রহন করে বরগুনা সদর উপজেলা চ্যাম্পিয়ন হয় এবং পাথরঘাটা উপজেলা রানার আপ হয়। কলেজ পর্যায়ে নির্ধারিত বিষয়ের উপরে শ্রেষ্ঠ বক্তা হিসেবে বরগুনা সদর উপজেলার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্রী রিয়া মনি নির্বাচিত হয়। “টাকা হলেই উন্নয়ন সম্ভব” এই বিষয়ের উপরে জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের মধ্যে সাংবাদিক দল চ্যাম্পিয়ন ও জনপ্রতিনিধি দল রানার আপ অর্জণ করে। পক্ষে বিপক্ষে বিতার্কিকরা তাদের যুক্তি তর্ক উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে যুব বিতর্ক প্রতিযোগিতাটি মনমুগ্ধকর করে গড়ে তোলে।

মূল ধারার বিতার্কীকদের বিতর্ক শেষে বরগুনা ডিবেটিং কাউন্সিলের সদস্যদের নিয়ে পুরুষের চেয়ে নারীদের ধৈর্য বেশি এই বিষয়ের উপরে একটি উপস্থিত রম্য বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। যুব বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা,শিক্ষক প্রতিনিধিগন উপস্থিত ছিলেন। যুব বিতর্ক উৎসবের আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ নুরুজ্জামান ও সদস্য সচিবের দায়িত্বে ছিলেন, বরগুনা ডিবেটিং কাউন্সিল’র কো-অর্ডিনেটর মোঃ তারিক বিন আনসারী সুমন।

বিতর্কানুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, বরগুনা ইয়্যূথ ফোরামের স্বেচ্ছাসেবক, টিআইবির ইয়েস সদস্য,রেডক্রিসেন্ট,রোভার স্কাউট,বিএনসিসিসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ও অন্যান্য সংগঠনের সদস্যরা। প্রধান অতিথি বলেন, এই বিতর্কানুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বরগুনার যুব সমাজ আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল।
 

Friday, 6 October 2017

Upholding women and girls’ dignity: Special Kit distributed among the Rohingya



Sohanur Rahman: Almost half a million people flee across the border into neighboring Bangladesh after the ethnic conflict in Burma sparked the most rapid human exodus since the Rwandan genocide in 1994. UNFPA says, 67 percents are women and girls in hole Rohingya refugees. While shelter, food, and water are first priorities, the critical and specific needs of women and girls are often overlooked. But Menstrual Hygiene Management is very important for every woman and adolescent. Millions of Rohingya refugee girls and women need the most basic supplies and services to ensure their health, dignity, and rights. Because dignity is the only thing left when all else is lost.
ActionAid Bangladesh distributing Dignity Kit to Rohingya Women and Girl to ensure unmet need for them.

Considering their (Women and adolescent Girl) healthy and dignity-full life, ActionAid Bangladesh has distributed 1000 dignity kits today at Moinnarghona Refugee Camp in Ukhya, Coxbazar to ensure the safe reproductive health, this kit containing basic health and hygiene products for displaced Rohingya women and girls with joint effort by Mercy Relief and local partner Young Power in Social Action (YPSA). An important part of upholding this right, the distribution of dignity kits, which include essential supplies to help women Rohingya refugees to maintain their basic hygiene when they are displaced by the crisis. The ‘dignity kit’ contains women’s personal care items such as the reusable sanitary napkin, maxi, panty, sandal, torchlight, soaps, bucket and other clothes. It will ensure the safe reproductive health, these dignity items are so important for the women in the camp.


Due to unfavorable environment and existence of some belief and taboos, women and girl feel shy to talk about Menstruation and it’s management. Moreover, As a refugee and their financial worse condition, women, and girl have not easy access to dignity materials. In and of themselves, sanitary pads are not life-saving items, but they do play a crucial role in preserving a woman’s health and dignity and keeping her from harm, especially for those living in humanitarian crisis settings. They also needed training session about the importance of this Kit.


According to Abdul Alim, Manager- Humanitarian Response, ActionAid Bangladesh have committed to address that unmet needs of women and girls by running Women friendly space and distributing Dignity Kit, which will be continued!
#WithRefugees #SaveRohingya #Bangladesh #YouthPower

Featured post

YouthNet for Climate Justice receive Joy Bangla Youth Award 2018

Thirty organisations won the Joy Bangla Youth Award 2018 for their outstanding contributions to promoting youth employability, educa...